মঙ্গলবার , সেপ্টেম্বর ২৮ ২০২১
শিরোনাম
Home / সারাদেশ / মির্জাগঞ্জ থানার লাশ হস্তান্তর, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় অনুসন্ধানে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ

মির্জাগঞ্জ থানার লাশ হস্তান্তর, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় অনুসন্ধানে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ

 

জেলা প্রতিনিধিঃ
মির্জাগঞ্জ থানার অপমৃত্যু মামলার নিহতের লাশ হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্খিত ঘঁনার তদান্তে পটুয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ (পিপিএম) নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন কালে প্রত্যক্ষদর্শীরা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার,সহ সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষীর স্বাক্ষ অনুসন্ধানে যা জানা যায়- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লিখিত সংবাদ এর ভিত্তিতে মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহিববুল্লাহ থানার অপমৃত্যু মামলা নং১৬ তারিখ গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ (শনিবার) দায়ের করে এসআই সাইফুলকে তদন্তভার প্রদান করেন।
এসআই সাইফুল তদন্ত করতে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কথা বলেন।

আত্মীয়-স্বজনরা বলেন, নিহত ব্যাক্তি আমড়া গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছেন আমরা ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ নিয়ে যাবো।
তদান্তকারী কর্মকর্তার নিহতের মাথার আঘাত সন্দেহজনক মনে হওয়ায় গভীরভাবে তদান্ত করা শুরু করলে জনৈক বেতাগী উপজেলার একজন সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ব্যাক্তি উৎশৃংখল মূলক আচরণ শুরু করে তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে ও মৃত্যুর স্বজনদের আবেগ তাড়িত বিষয়কে উস্কে দিয়ে একটি বিব্রতকর পরিবেশ তৈরি করে।

উক্ত বিব্রতকর পরিস্থিতে হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে লাশ থানায় পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা কালে জনৈক শফিকুল ইসলাম ইরানের প্রত্যক্ষ উদ্ধৃত আচরণ ও উস্কানির কারণে উপস্থিত আত্মীয়-স্বজনরা পুলিশকে লাশ নিতে বাধা প্রদান করেন এবং পুলিশকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং এসআই সাইফুলকে মারধর করার জন্য নির্দেশ দেন।
জনৈক বেতাগীর ইরান নামের এক সাংবদিক যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই ঘটনার ভিডিওতে স্পষ্ট শোনা যায়।

সাংবাদিক ইরানের নির্দেশ শুনে উপস্থিত নিহতের স্বজনরা পুলিশ সদস্যদের মারতে উদ্যত হয় ও নিহতের দুই স্ত্রী পুলিশকে লাশ থানায় নিতে বাধা প্রদান করে জোর পূর্বক লাশের গাড়িতে উঠেপরে তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিহতের দুই স্ত্রীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে শফিকুল ইসলাম ইরান পুলিশকে দেখে নেওয়াসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিতে থাকেন যার ভিডিও ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে আছে।

তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল বিষয়টি স্পর্শকাতর মনে করে শক্তি প্রয়োগ না করে ধৈর্য্যসহকারে পরিবেশ শান্ত করার চেস্টা কালে তার সাথে থাকা পুলিশের সদস্যদের কাছ থেকে জোর করে লাশ নিয়ে যায় উপজেলা সাংবাদিক- ইরান ও নিহতের স্বজনরা তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা লাশ নিয়ে যাওয়ার বিষয় অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করলে অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলে আসেন।

এসে শোনেন লাশ নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে আধা কিলোমিটার পশ্চিমে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যলয়ে (পশুহাসপাতাল) সিমানা প্রাচির পর্যন্ত চলে গেছেন জনৈক ইরান ও নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা। পরে অফিসার ইনচার্জ মো. মহিববুল্লাহ সঙ্গীয় ফোর্সসহ তড়িগড়ি করে লাশের কাছে গিয়ে লাশের সাথে থাকা জনৈক ইরান ও নিহতের আত্মীয়-স্বজনদের আইনগত বিষয়গুলো বুঝিয়ে বলে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং সকলকে আইনসঙ্গতভাবে কথা বলা এবং কাজ করার পরামর্শ দিয়ে সঙ্গীয় ফোর্স এর সহতায় পুনরায় লাশ নিয়ে থানায় আসতে চাইলে নিহতের স্বজনরা থানায় যেতে অস্বীকৃতি জানালে নিহতের স্বজনদের ইচ্ছা অনুযায়ী লাশ নিয়ে হাসপাতালে যান অফিসার ইনচার্জ মো.মহিববুল্লাহ।

এবং অফিসার ইনচার্জ এঘটনার বিষয় বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট হইতে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন, প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করিয়া পরিস্থিতি শান্ত করেন ও সকলের দেওয়া তথ্যে আপাতত মৃত্যুটি গাছে থেকে পরিয়া সংঘটিত হয়েছে মর্মে নিশ্চিত হয়ে ময়নাতদন্ত ব্যাতীত আইনগত সকল প্রক্রিয়া শেষে হোসনাবাদ ইউনিয়নের জলিসা গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মাসুদ ও নিহতের প্রথম স্ত্রী নাজমা বেগমের বড় ভাই মো. শহিদুল ইসলাম এবং দুই স্ত্রীর নিকট মরাদেহ হস্তান্তর করেন।

এছাড়া স্বজনদের মারধর ও ঘুষ দাবির কোনো তথ্য-প্রমাণ নিশ্চিত করা যায়নি।
জেলা সাংবাদিকদের অনুসন্ধান ও অভিজ্ঞ মহলের ধারণা মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইচার্জ মো. মহিববুল্লার মানবিক কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য একটি মহল অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

আরও পড়ুন

জি.জি.ই প্রজেক্টের আওতায় সংগঠন উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জি.জি.ই প্রজেক্টের আওতায়  বরগুনা সদর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের ৪০ টি যুব ক্লাবের …