মঙ্গলবার , জুন ১৫ ২০২১
শিরোনাম
Home / সারাদেশ / নির্মাণকালেই ধ্বসে পড়লো প্রধানমন্ত্রীর উপহার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঘরের দেয়াল

নির্মাণকালেই ধ্বসে পড়লো প্রধানমন্ত্রীর উপহার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঘরের দেয়াল

মিঠু হাসান, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর বদলগাছীতে নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করায় প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঘরের দেওয়াল ভেঙে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জিয়ল গ্রামে। জানা যায়,
২০২০-২১ অর্থ বছরের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জীবনমান উন্নয়নে গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় এই উপজেলায় সর্বশেষ পর্যায়ে ৮টি ঘর বরাদ্দ আসে। এর দু’টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয় জিয়ল গ্রামের জোগেন্দ্রনাথ পাহানের ছেলে বিকাশ পাহান ও আকাশ পাহান দুই ভাইয়ের নামে।০৯/০৬/২১ দুপুরে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহকালে গ্রামবাসীর ভাষ্যে জানা যায়, ঘর নির্মাণে
ব্যবহার করা হচ্ছে ১নং ইটের পরিবর্তে ৩ নং ইট, নিন্মানের বিট বালু, সিমেন্টের পরিমাণ ও কম। ফলে নির্মানাধীন অবস্থায় ভেঙ্গে পড়েছে ঘরের দেওয়াল। ঘর মালিক বিকাশ পাহান বলেন, ঠিকাদার ও মিস্ত্রীরা দু’টি ঘরের জন্য
৮ হাজার ৩ নং ইট ও নিন্মমানের বালু নিয়ে আসে। এছাড়াও ২ হাজার ইট ও ২ গাড়ী নজিপুরের ভাল বালু আমাদের নিজ অর্থে কিনে দিতে হয়েছে। ঘরের ভীত খননেও শ্রমিকদের মজুরী আমাদেরকে দিতে হয়েছে। নিন্মমানের সামগ্রী দ্বারা নির্মাণ কাজ করায় ঘরের পূর্ব ও দক্ষিণ দেওয়াল ভেঙ্গে পড়ে।বিকাশ আরো জানান, মহাদেবপুরের সুমন মিস্ত্রি ঘর দু’টির নির্মাণ কাজ শুরু করে। পরে স্থানীয় মিস্ত্রি কৃষ্ণ পাহান দ্বারা ঘর দু’টির নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। সুমন মিস্ত্রির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার বাড়ি মহাদেবপুর হওয়ায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।আরেক ঘর মালিক আকাশ পাহান বলেন, ঘর নির্মাণ কালীন সময় থেকেই ৩ নং ইট, নিন্মমানের বালু, সিমেন্টের ভাগ কম দিয়ে গাঁথুনী করায় ঘরের গত রবিবার দেওয়াল ভেঙ্গে পড়ে। আমার ঘরের গাঁথুনীও নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে করায় পশ্চিম দেওয়ালে ফাঁটলের সৃষ্টি হয়। পরে তা মেরামত করা হয়। স্থানীয় মিস্ত্রি কৃষ্ণ পাহান বলেন, আমাদেরকে যেসব সামগ্রী দিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে তাই দিয়ে আমরা কাজ করছি। আর যেদিন ঘরের দেওয়াল ভেঙ্গে পড়ে সেদিন আমি কাজ করিনি। সেদিন অন্য মিস্ত্রি কাজ করেছে। এই প্রকল্পের উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব পিআইও মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে তার কার্যালয়ে এ বিষয়ে কথা বললে এ প্রকল্প সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে জানান তিনি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রকল্প সভাপতি আলপনা ইয়াসমিনের সঙ্গে
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন আপনি আমার অফিসে এসে দেখা করেন,আমি প্রকল্প সম্পর্কে বলছি আপনি আসেন বলে ফোন কেটে দেয়। কিছুক্ষন পরে তাহার অফিসে গেলে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

আশুলিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগী পিস্তলসহ আটক

সাভার প্রতিনিধি: আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজের সহযোগী রবিউল ইসলাম রবিকে …